বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬ | Thursday, July 16, 2026
Homeঅস্ট্রেলিয়াঅস্ট্রেলিয়া হিন্দু মহিলা পরিষদ নামের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

অস্ট্রেলিয়া হিন্দু মহিলা পরিষদ নামের নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

অস্ট্রেলিয়া হিন্দু মহিলা পরিষদ/ Australia Hindu Women’s Council (AHWC) গত ১৫ই নভেম্বর ২০২৫ সংগঠনের প্রথম অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করলো। বিগত একবছর যাবৎ অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাভাষী হিন্দু মহিলাদের এক বিরাট অংশ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে ও সামাজিক মাধ্যমে মহিলাদের স্বাধিকার ও নিরাপত্তা বিধানে একটি প্ল্যাটফর্মে একত্রিত হওয়ার ব্যাপারে সহমত প্রকাশ করেছেন। সে লক্ষ্যেই মৌসুমী সাহা, মিতা দে, শ‍্যামলী দেবরায় সহ আরও অনেকে মহিলা প্রতিনিধি মিলে এর রূপরেখা প্রণয়ন করেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ই নভেম্বর ২০২৫ তারা সিডনির কোগারার Fry’s Reserve এর জাকারান্ডা ভিলেজে “জাকারান্ডা কুঞ্জ বনে” নামে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করে। ঐদিন বিকেলের এ আয়োজনে এডমিন প‍্যানেলের নারী প্রতিনিধিরা সপরিবারে অংশগ্রহণ করেন। তারা নাচে গানে অনুষ্ঠানটিকে বর্ণিল করে তোলেন। আয়োজকরা সবাইকে নিজগৃহে রান্না করা খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করেন। অনুষ্ঠানের শেষপ্রান্তে আয়োজকরা সংগঠনের উদ্দেশ্য আদর্শ নিয়ে বক্তব্য রাখেন। আগত অতিথিরা তাদের সার্বিক অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রদানের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আয়োজকদের আহ্বায়ক মৌসুমী সাহা জানালেন যে অস্ট্রেলিয়া হিন্দু মহিলা পরিষদ (AHWC) একটি জাতীয় বেসরকারী ছাতা সংগঠন যার ব্যাপক মানবিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষামূলক উদ্দেশ্য রয়েছে, যা নাগরিক হিসেবে নারী ও মেয়েদের তাদের অধিকার এবং দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিশ্বব্যাপী দৃষ্টিকোণ থেকে সামাজিক জীবনের সকল ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে কাজ করে। AHWC অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী বাংলাভাষী হিন্দু মহিলাদের সাথে কাজ করে এবং সমস্ত সাথী সংগঠন/সংস্থার সাথে সংযোগ রক্ষা করে , যাতে সমস্ত প্রবাসী মহিলাদের জন্য ন্যায়বিচার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। এই সংগঠনের সকল আর্থিক সদস্যরা AHWC-এর আদর্শের প্রতি সম্মত হবেন। সংগঠনটি ২০২৫ সালের গোড়ার দিকে নিম্নলিখিত পরিচালকদের নিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করে:
মৌসুমী সাহা
মিতা দে
শ্যামলী দেবরায় এবং
সুচিত্রা কুণ্ডু

ইতোপূর্বে সদস্যরা অস্ট্রেলিয়ায় সংখ্যালঘু নিপীড়নের বিরুদ্ধে সিডনিতে সমাবেশ, উপরোক্ত বিষয়ে সেমিনার, অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী সংখ্যালঘু নারীদের উপর নিপীড়ন, নৃশংসতা এবং পারিবারিক সহিংসতার মূল কারণ খুঁজে বের করার জন্য ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করে অস্ট্রেলিয়ায় একটি পরিবর্তন আনতে শুরু করেছেন। এটি বহির্বিশ্বে দাসপ্রথা বিরোধী আন্দোলনের শিকড়গুলির সাথেও কাজ করার ইচ্ছা পোষণ করে। এটি অস্ট্রেলিয়ার জীবনকে ঘিরে থাকা সকল প্রচেষ্টায় নারীদের প্রতি ন্যায়বিচার এবং নিরাপত্তা অর্জনের জন্য নিরলস কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

পপুলার পোস্ট

নতুন কমেন্টস