মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬ | Tuesday, July 14, 2026
Homeঅস্ট্রেলিয়াঅস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যক সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় সভা...

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যক সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সিডনি : ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪-এ সিডনির একটি পাঁচতারকা হোটেল, হিলটন সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (এবিবিসি) এর উদ্যোগে “বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বর্তমান সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ” বিষয়ক একটি আলোচনা ও মতবিনিময় সভার অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশী ব্যবসায়ী, শিল্পোদ্যোক্তা, নীতিনির্ধারক,ব্যবসায়ী নেতারা , সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সম্ভাব্য বিভিন্ন দিক, অর্থনৈতিক সুযোগ, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ডিজিটাল উদ্ভাবন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং স্থায়িত্বের মতো বিষয়গুলির উপর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তপন কান্তি ঘোষ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, বিশেষ অথিতি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন ,অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ফিজিতে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মান্যবর হাইকমিশনার এম. আল্লামা সিদ্দিকী, অস্ট্রেলিয়ান ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেডের ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ এশিয়া মেরিটাইম শাখার সহকারী সচিব ব্রুস সোয়ার এবং অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স, এনএসডব্লিউ-এর প্রেসিডেন্ট ইয়ান লিঙ্কন, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ জামান টিটু, ক্যান্টারবুরী ব্যাংকসটাউন কাউন্সিলের কাউন্সিলর সাজেদা আক্তার সানজিদা সহ সিডনির বাংলাদেশী কমিউনিটির আরও অনেক গণ্য-মান্য ব্যক্তিবর্গ।

প্রধান অথিতির বক্তব্যে তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রসারের জন্য বিদ্যমান বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা তুলে ধরেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পূর্ণ সম্ভাবনা উন্মোচনে সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্বের গুরুত্বের উপর জোর দেন।

মান্যবর এম. আল্লামা সিদ্দিকী তার বক্তব্যে বাংলাদেশকে একটি “সোনার খনি” এর সাথে তুলনা করেন তিনি বলেন প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সত্ত্বেও, একজন বিনিয়োগকারী অবশ্যই তাদের বিনিয়োগের বিপরীতে কাংখিত লভ্যাংশ পাবেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন , বাংলাদেশ একটি আদর্শ বিনিয়োগ গন্তব্য যেখানে একটি তরুণ এবং শিক্ষিত জনসংখ্যা রয়েছে যারা প্রযুক্তিগত ব্যাপারেও দক্ষ এবং নিয়ন্ত্রক কাঠামো, বছরের পর বছর ধরে অপরিবর্তিত থাকায় তা অত্যন্ত বিনিয়োগকারী বান্ধব।

আরো বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়ান ডিপার্টমেন্ট অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেডের ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ এশিয়া মেরিটাইম শাখার সহকারী সচিব ব্রুস সোয়ার এবং অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স, এনএসডব্লিউ-এর প্রেসিডেন্ট ইয়ান লিঙ্কন।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (এবিবিসি) এর চেয়ারপার্সন ফয়েজ দেওয়ান বলেন, “ইভেন্ট চলাকালীন গভীর অন্তর্দৃষ্টি এবং গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে আমরা ব্যাপকভাবে উৎসাহিত হয়েছি।” “সংলাপ এবং সহযোগিতাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে, আমরা এমন বাস্তব ফলাফল অর্জনের লক্ষ্য রাখি যা বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়া উভয়ের ব্যবসা এবং অর্থনীতিকে উপকৃত করবে।

বক্তাদের মূলবান বক্তব্যের পর প্রশ্নোত্তর পর্ব রাখা হয় যেখানে অনুষ্ঠানের উপস্থিত স্রোতারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেন । অংশগ্রহণকারীরা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের বর্তমান ল্যান্ডস্কেপ নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় করেন এবং প্রবৃদ্ধির মূল সুযোগগুলি চিহ্নিত করেন এবং এর অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী চ্যালেঞ্জগুলি নিয়ে কিছু প্রস্তাব রাখেন।

ইভেন্টটি একটি নেটওয়ার্কিং রিসেপশনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়, যা অংশগ্রহণকারীদের মূল্যবান সংযোগ স্থাপন, যোগাযোগ বিনিময় এবং সহযোগিতার সম্ভাব্য উপায়গুলি অন্বেষণ করার সুযোগ দেয়।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (এবিবিসি) সমস্ত স্পনসর, অংশীদার, বক্তা এবং অংশগ্রহণকারীদের প্রতি তাদের অমূল্য অবদান এবং ইভেন্টটিকে সহায়তা করার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

পপুলার পোস্ট

নতুন কমেন্টস