গত পহেলা মে মিন্টু ইন্ডোর স্পোর্টস সেন্টারে বিডি হাব আয়োজিত চাঁদ রাত মেলা ও একজন সাংবাদিকের নামে অপপ্রচার প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মাদ আবদুল মতিন এক বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিডি হাব আয়োজিত চাঁদ রাত মেলা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু অপ্রীতিকর ও বিভ্রান্তমূলক পোস্ট দেখে আমি হতবাক হয়েছি। পোস্টে লেখা হয়েছে যে, মেলা প্রাঙ্গন থেকে একজন সাংবাদিককে বের করে দেওয়া হয়েছে। চাঁদ রাত অনুষ্ঠানে আমি এবং সাংবাদিক নাইম আবদুল্লাহসহ ‘অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের’ অনেক সদস্য উপস্থিত ছিল। যেই সাংবাদিকের নামে মিথ্যাচার করা হয়েছে তাকেসহ আমরা রাত ১১টা পর্যন্ত মেলা প্রঙ্গনে ছিলাম এবং একসাথে স্বপরিবারে মেলা প্রাঙ্গন ত্যাগ করেছি। যদি কোন সাংবাদিককে বের করে দেওয়া হতো তাহলে আমরা সবাই বিডি হাবের অনুষ্ঠান বয়কট করতাম এবং তাদের নিউজ বন্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করতাম। আমি সবসময় নীতিতে অটল এবং সাংবাদিকদের স্বার্থ ও সম্মান রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।


এছাড়াও তিনি বলেন, ২০১৮ সালে সিডনির একটি অনুষ্ঠান থেকে একজন সিনিয়র সাংবাদিককে অপমান করে তাঁর স্ত্রীসহ বের করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা এর প্রতিবাদ করে অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে গিয়েছছি এবং ঐ সংগঠনকে বয়কট করেছি। সেই অনুষ্ঠানে আমাদের মিডিয়া সংগঠনের পক্ষে আমাকে সম্মাননা দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, একজন সাংবাদিককে অপমান করার কারণে আমি সেই এ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করিনি। চার বছর যাবত আমরা সেই সংগঠনের সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রেখেছি। আমি এবং আমাদের সংগঠন সবসময় ন্যায়ের পক্ষে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে কাজ করছি।



মোহাম্মাদ আবদুল মতিন আরো বলেন, বিডি হাবের চাঁদ রাত মেলায় একজন ব্যক্তিগত পর্যায়ে আরেকজনার সংগে বাদানুবাদে লিপ্ত হয়েছিল। মেলা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হওয়ার সাথে সাথে তারা উপস্থিত হয়ে বিষয়টি সমাধান করেন। বরং যিনি সমস্যা সৃষ্ট করতে চেয়েছেন তাকে মেলা প্রাঙ্গন থেকে বেরিয়ে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে এবং তিনি মেলা প্রাঙ্গন ত্যাগ করেছেন। কোন আগত অতিথি কিংবা সাংবাদিককে বের করে দেয়া হয়নি। বরং সেই সাংবাদিক আমার সাথে রাত ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানে ছিলেন। আমার মনে হয় বিডি হাবের সাফল্য দেখে কিছু মানুষ পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এই বিষয়ে বিডি হাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল খান রতন একটি বিবৃতিও দিয়েছেন।




