বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬ | Thursday, July 16, 2026
Homeঅস্ট্রেলিয়াসিডনিতে পালিত হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস

সিডনিতে পালিত হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস

শতদল তালুকদার: গতকাল রবিবার (১৫ অক্টোবর) সিডনিস্থ গ্রেস্টেইন কমিউনিটি সেন্টার গ্রেস্টেইনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে নিহতদের স্মরণ করা হয়। প্রদীপ প্রজ্বলন করেন জগন্নাথ হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি সুজিত দাস এবং সম্পাদক ড. সুভাষ সাহা এবং ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি কামরুল মান্নান আকাশ এবং সম্পাদক মাহমুদুল হক বাদল। পরে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নিরব প্রার্থনা করা হয়।

এরপর ভক্তিগীতি ও কোরাস গেয়ে ওই ঘটনার তাৎপর্য ফুঁটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়। পুরো অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে অ্যালামনাই-এর সদস্য ও পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনটি সংগীত পরিবেশন করেন। তারা হলেন জ্যোতি বিশ্বাস, অনুপম গোস্বামী এবং অদিতি রাউত। আবৃত্তি করেন ফাহিমা মাহজাবিন চন্দ্রা, কবিতা রায় এবং লাবণ্য শিল্পী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা ঢাবি শোক দিবসের ইতিহাস ও কার্যকারণ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে কয়েকটি বিষয়ের ওপর জোর দেন। সেগুলো হলো জগন্নাথ হলের ভবন ধ্বসের পরবর্তীতে আহতদের সাহায্যে এগিয়ে আসা সর্বস্তরের মানুষের সহ-মানবতার প্রকাশ, দুর্ঘটনা পরবর্তী তদন্তের রিপোর্ট অদ্যাবধি জনসমক্ষে প্রকাশ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ এবং অনতি-বিলম্বে সে রিপোর্ট প্রকাশ ও সেই রিপোর্ট অনুযায়ী এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা অপরাধীদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা, নিহত ও আহতদের নিজস্ব ও পরিবারের বর্তমান পরিস্থিতি জানা ও প্রয়োজনীয় সাহায্যের উদ্যোগ নেয়া।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন, অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি কামরুল মান্নান আকাশ তাঁর বক্তৃতায় বলেন তিনি সেই রাতে হাজির হয়েছিলেন জগান্নাথ হলে এবং নিজের চোখে দেখেছিলেন সেই বীভৎস দৃশ্য। তুষার দাসের সভাপতিত্বে এবং কবিতা রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও নস্টালজিক হয়ে ওঠে। সংগঠনের সদস্যবৃন্দ ও তাদের পরিবার উপস্হিত হয়ে অনুষ্ঠানটিকে পূর্ণতা দান করেন।

১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের টিভি রুমের ছাদ ধ্বসে ৪০ জন শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও অতিথির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এরপর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ দিনটিকে ঢাবি শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

পপুলার পোস্ট

নতুন কমেন্টস