শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ | Saturday, October 24, 2026
Homeঅস্ট্রেলিয়াবুক রিভিউ: গামা আব্দুল কাদির: প্রশান্তপারের বাঙালি নাবিক

বুক রিভিউ: গামা আব্দুল কাদির: প্রশান্তপারের বাঙালি নাবিক

ড. শাখাওয়াৎ নয়ন
বিদেশ বাংলা | সিডনি, অস্ট্রেলিয়া
প্রকাশ: ৩ আগস্ট ২০২৬

“গামা আব্দুল কাদির – প্রশান্তপারের বাঙালি নাবিক” স্মারকগ্রন্থটি কেবল একজন ব্যক্তিকে নিয়ে প্রকাশিত প্রশংসামূলক সংকলন নয়; এটি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীদের সামাজিক ইতিহাস, কমিউনিটি নির্মাণ, নেতৃত্ব, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার একটি বহুমাত্রিক দলিল। বইটিতে বিভিন্ন পেশা, প্রজন্ম ও সামাজিক অবস্থানের লেখকেরা তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও স্মৃতির আলোকে গামা আব্দুল কাদিরের জীবন ও কর্মকে মূল্যায়ন করেছেন। এসব বয়ানে তিনি কখনো নেতা, কখনো অভিভাবক, কখনো বন্ধু, কখনো বটবৃক্ষ, আবার কখনো একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।
গ্রন্থটির অন্যতম প্রধান বিষয় হলো গামা আব্দুল কাদিরের কমিউনিটির প্রতি গভীর আত্মনিবেদন।

বিন্দু চৌধুরী লিখেছেন, তিনি নিজের ছেলেকে যতটা সময় দিয়েছেন, তার চেয়ে বেশি সময় দিয়েছেন প্রবাসী বাঙালি কমিউনিটিকে (চৌধুরী, পৃ. ১৬)। এই বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত ত্যাগের পাশাপাশি বৃহত্তর সমাজকে নিজের পরিবার হিসেবে বিবেচনা করার দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। আব্দুল ওয়াহাবের ভাষায়, তাঁর কাছে পুরো বাংলাদেশি কমিউনিটির সবাই ছিল আপনজন (ওয়াহাব, পৃ. ৮৯)। সুলতান মাহমুদ আরও আবেগপূর্ণভাবে উল্লেখ করেছেন, গামা ভাইয়ের আত্মীয় হওয়ার জন্য রক্তের সম্পর্ক প্রয়োজন নেই; বাংলাদেশ থেকে আসাই তাঁর আত্মীয় হওয়ার জন্য যথেষ্ট (মাহমুদ, পৃ. ২৩৭)। এসব বক্তব্যই বলে দেয় যে প্রবাসে তিনি আত্মীয়তা ও সামাজিক সম্পর্কের একটি সম্প্রসারিত ধারণা তৈরি করেছেন।

গামা আব্দুল কাদিরের নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্য ছিল ভালোবাসা, উপস্থিতি এবং সেবা। রেণু দেব-দাশের মতে, তিনি বলপ্রয়োগ করে নেতা হননি; মানুষকে ভালোবেসে মানুষের নেতা হয়েছেন ( দেব-দাশ, পৃ. ৬০)। Shaoquett Moselmane তাঁর উত্তরাধিকারকে সহমর্মিতা, নেতৃত্ব এবং কমিউনিটি ক্ষমতায়নের সমন্বিত প্রকাশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন (Moselmane, p. 25)। গোলাম মোস্তফা বলেছেন, তাঁর কর্ম, মানবিকতা, নেতৃত্ব এবং প্রবাসী সমাজের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে ( মোস্তফা, পৃ. ৬৯)। নূর রহমান খোকনের মূল্যায়নে, ব্যক্তি ও সংগঠনের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে তিনি প্রবাসী সমাজে নিজেকে অপরিহার্য করে তুলেছেন (খোকন, পৃ. ৯২)। এসব মূল্যায়ন থেকে বোঝা যায়, তাঁর নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিক পদ বা ক্ষমতার পরিবর্তে দীর্ঘদিনের আস্থা, সম্পর্ক এবং দায়িত্ব পালনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

সিডনির বাংলাদেশি কমিউনিটি নির্মাণেও তাঁর ভূমিকা উক্ত গ্রন্থে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ফখরুদ্দিন চৌধুরী মনে করেন, সিডনিতে বাংলাদেশের বর্তমান শক্তিশালী অবস্থানের পেছনে গামা আব্দুল কাদিরের অবদান অস্বীকার করা যায় না (চৌধুরী, পৃ. ২১)। মোহাম্মদ আব্দুল মতিন তাঁকে সিডনির বাংলাদেশি কমিউনিটির ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছেন (মতিন, পৃ. ১৭১)। পুরবী পারমিতা বোসের মতে, সিডনির বাংলাদেশি সমাজে তাঁকে বটবৃক্ষ, পথপ্রদর্শক এবং আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে দেখা হয় (বোস, পৃ. ১৮৮)। এই বটবৃক্ষের রূপকটি গ্রন্থজুড়ে বারবার এসেছে, যা তাঁর আশ্রয়দাতা, পরামর্শদাতা ও অভিভাবকসুলভ ভূমিকাকে নির্দেশ করে।

আতিকুর রহমান শুভ তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন ও বয়স অতিক্রমী সক্রিয়তার প্রশংসা করেছেন। তাঁর ভাষায়, ৮৩ বছর বয়সেও গামা আব্দুল কাদির কখনো বুড়ো হননি; বরং পথের ক্লান্তি ভুলে অন্যদের জাগিয়ে তুলেছেন (শুভ, পৃ. ৯৯)। সিরাজুল হক তাঁদের প্রায় ৩৮ বছরের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেছেন (হক, পৃ. ৮৭)। এই দীর্ঘ সম্পর্ক শুধু ব্যক্তিগত বন্ধুত্বের পরিচয় নয়; এর মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজের কয়েক দশকের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ও ইতিহাসও নিহিত। কায়সার আহমেদ তাঁকে এমন এক রাজা হিসেবে দেখেছেন, যার আনুষ্ঠানিক রাজত্ব না থাকলেও মানুষের ভালোবাসা ও সম্মানে তিনিই রাজা (আহমেদ, পৃ. ১১৩)। এই প্রতীকী মূল্যায়ন তাঁর অনানুষ্ঠানিক সামাজিক কর্তৃত্বের উৎসকে স্পষ্ট করে।

গ্রন্থে গামা আব্দুল কাদিরকে বারবার ব্যক্তি থেকে বৃহত্তর সামাজিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হতে দেখা যায়। তিশা তানিয়া তাঁকে সরাসরি একটি প্রতিষ্ঠান বলেছেন (তানিয়া, পৃ. ১৮০)। কিশোয়ার আখতার কাকলীর মতে, তিনি একটি কমিউনিটির আত্মা (কাকলী, পৃ. ২০৪)। আল নোমান শামীম তাঁর জীবনকে একটি খোলা বইয়ের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, তাঁকে নিয়ে রাগ, প্রশ্ন বা ঈর্ষা থাকতে পারে, কিন্তু তাঁকে অস্বীকার করা সম্ভব নয় (শামীম, পৃ. ২২৪)। এই মন্তব্যটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি কেবল প্রশংসা নয়; বরং মতভেদ ও সমালোচনার সম্ভাবনাকে স্বীকার করেও তাঁর সামগ্রিক গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা করে।

 

গামা আব্দুল কাদিরের অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গিও গ্রন্থটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আফরিন চৌধুরী উল্লেখ করেছেন, তিনি ইসলামিক কালচারাল সেন্টার গঠনে যেমন অবদান রেখেছেন, তেমনি দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদ ও খ্রিষ্টান ফেলোশিপ প্রতিষ্ঠাতেও উদ্যোগী ছিলেন (চৌধুরী, পৃ. ১৯৬)। ন্যান্সি লীনা ব্যারেল তাঁকে এমন একজন উদার ও নিরহংকারী মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে আপন করে নিতে জানতেন (ব্যারেল, পৃ. ১৪৭)। সুহৃদ সোহান কাব্যিক ভাষায় তাঁকে যুদ্ধজয়ী পৌরাণিক বীর হিসেবে নয়, বরং ভালোবাসার রথে চড়ে সম্প্রীতির পথে চলা একজন মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন (সোহান, পৃ. ১৯৭)। এই মূল্যায়ন তাঁর নেতৃত্বের মূল দর্শনকে ধারণ করে: বিভাজনের বদলে সংযোগ এবং আধিপত্যের বদলে সম্প্রীতি।

শফিকুল আলমের মতে, গামা আব্দুল কাদির মানুষের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছেন তা আরোপিত নয়; বরং হৃদয় থেকে উৎসারিত (আলম, পৃ. ৭৯)। এই বক্তব্য তাঁর জনপ্রিয়তার স্বতঃস্ফূর্ত ও সম্পর্কনির্ভর প্রকৃতিকে নির্দেশ করে। সোহরাব হাসান আরও সাহিত্যিক ভাষায় বলেছেন, সবাই গামা আব্দুল কাদির হতে পারেন না; গামা আব্দুল কাদির একজনই (হাসান, পৃ. ৬৫)। গোলাম মোস্তফা তাঁর অনন্য উচ্চতার ভিত্তি হিসেবে কর্ম, মানবিকতা, নেতৃত্ব ও কমিউনিটির প্রতি ভালোবাসাকে চিহ্নিত করেছেন (মোস্তফা, পৃ. ৬৯)। এই তিনজন লেখকের বক্তব্য মিলিয়ে তাঁর স্বাতন্ত্র্য, জনপ্রিয়তা এবং কর্মভিত্তিক মর্যাদার একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়।

মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁর জীবনের অন্যতম প্রধান পরিচয়। আবুল হাসনাৎ মিল্টন উল্লেখ করেছেন, গামা আব্দুল কাদির বাংলাদেশের এক মেয়ের পড়াশোনার ব্যয় বহন করেছিলেন, যিনি পরে লন্ডনে গিয়ে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন (মিল্টন, পৃ. ১০১)। এই ঘটনা দেখায় যে তাঁর সহায়তা শুধু তাৎক্ষণিক সংকট নিরসনে সীমাবদ্ধ ছিল না; মানুষের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিকাশেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন। অজয় দাশগুপ্ত বলেছেন, তাঁর কাছে কোনো সোনার খনি নেই; আছে একটি মহৎ হৃদয়, যা দিয়ে তিনি মানুষের সমস্যার সমাধান করেন (দাশগুপ্ত, পৃ. ২৪৭)। সালেহ উদ্দিনের ভাষায়, তাঁর সবচেয়ে বড় গুণ তিনি ভালো মানুষ, আবার তাঁর সবচেয়ে বড় দোষও তিনি অতিরিক্ত ভালো মানুষ (উদ্দিন, পৃ. ৪১)। এই মন্তব্য তাঁর মানবিকতার প্রশংসার পাশাপাশি অতিরিক্ত উদারতার সম্ভাব্য ব্যক্তিগত মূল্যও নির্দেশ করে।

ব্যক্তিগত দায়িত্ব ও সামাজিক দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার দিকটিও গ্রন্থে গুরুত্ব পেয়েছে। নার্গিস বানু উল্লেখ করেছেন, প্রায় দুই দশক ধরে অসুস্থ জীবনসঙ্গীর সেবা করা তাঁর জীবনের এক অনুকরণীয় দিক (বানু, পৃ. ১০৬)। রোকেয়া আহমেদ লিখেছেন, অসুস্থ স্ত্রীর শুশ্রূষা করেও তিনি কমিউনিটিতে সক্রিয় ও সম্পৃক্ত থেকেছেন (আহমেদ, পৃ. ২২৯)। দাউদ হাসানের মতে, তাঁর মুখে সবসময় হাসি থাকলেও অন্তরে ছিল গভীর বেদনা (হাসান, পৃ. ১৩৬)। এসব মন্তব্য তাঁর জনজীবনের আড়ালে থাকা ব্যক্তিগত ত্যাগ, বেদনা ও মানসিক শক্তিকে দৃশ্যমান করে।

গামা আব্দুল কাদিরের পরিচয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও গভীরভাবে যুক্ত। তাঁর পুত্র সাগর বদরুল কাদির তাঁকে একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং বাংলাদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে দেখেছেন (কাদির, পৃ. ২১৪)। এস. এম. আব্রাহাম লিংকন উল্লেখ করেছেন যে তিনি সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক, শেখ ফজলুল হক মনি, তোফায়েল আহমেদ, আ স ম আবদুর রব, নূরে আলম সিদ্দিকী ও শেখ শহীদসহ বহু ছাত্রনেতার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন এবং একই মিছিলে হেঁটেছেন (লিংকন, পৃ. ২৪১)। এই তথ্য তাঁর প্রবাসী সামাজিক নেতৃত্বের পেছনে থাকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জাতীয়তাবাদী চেতনাকে প্রকাশ করে।

গ্রন্থটির প্রধান শক্তি হলো এর বহুস্বরিকতা। একই ব্যক্তিকে বিভিন্ন লেখক নেতা, অভিভাবক, বটবৃক্ষ, বন্ধু, প্রতিষ্ঠান, ঐক্যের প্রতীক এবং কমিউনিটির আত্মা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই বিচিত্র মূল্যায়নগুলো একত্রে অস্ট্রেলিয়ার বাঙালি কমিউনিটির সামাজিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মৌখিক ও স্মৃতিনির্ভর দলিল তৈরি করেছে। তবে গ্রন্থটির সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। একজন রাজনীতিবিদ গামা আব্দুল কাদিরের জীবনে সাংগঠনিক দ্বন্দ্ব, মতপার্থক্য, ব্যর্থতা বা বিতর্কের বিশদ বিশ্লেষণ তুলনামূলকভাবে অনুপস্থিত। মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক অবশ্য তাঁর ভালো-মন্দ, দোষ-ত্রুটি, সার্থকতা ও ব্যর্থতাসহ তাঁকে অনন্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন (রাজ্জাক, পৃ. ৩৪)। আল নোমান শামীমের লেখাতেও একই ধরনের ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি পাওয়া যায় (শামীম, পৃ. ২২৪)। এ ধরনের সমালোচনামূলক বয়ান আরও বেশি থাকলে গ্রন্থটির ঐতিহাসিক ও গবেষণামূল্য আরও বৃদ্ধি পেত।

সবশেষে বলা যায়, আলোচ্য গ্রন্থে গামা আব্দুল কাদির কেবল একজন ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপিত হননি; তিনি প্রবাসী বাঙালির সামাজিক স্মৃতি, অভিভাবকত্ব, মানবিক নেতৃত্ব এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার একটি প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। সিরাজুল হকের দীর্ঘ বন্ধুত্ব, শফিকুল আলমের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসার স্বীকৃতি, আবুল হাসনাৎ মিল্টনের শিক্ষা সহায়তার উদাহরণ, নূর রহমান খোকনের অপরিহার্য সংগঠকের মূল্যায়ন, আতিকুর রহমান শুভর কর্মস্পৃহা, আব্দুল মতিনের উজ্জ্বল নক্ষত্রের উপমা, পুরবী পারমিতা বোসের বটবৃক্ষের প্রতীক, সুহৃদ সোহানের সম্প্রীতির দর্শন, আব্রাহাম লিংকনের রাজনৈতিক ইতিহাস, রোকেয়া আহমেদের ত্যাগের বিবরণ এবং আল নোমান শামীমের অনস্বীকার্য উপস্থিতির ঘোষণা—সব মিলিয়ে তাঁর একটি বহুমাত্রিক প্রতিকৃতি নির্মিত হয়েছে। তাই বইটি শুধু একজন মানুষের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নয়; এটি প্রবাসী বাঙালিদের কমিউনিটি নির্মাণ, ঐক্য, মানবিকতা ও আত্মপরিচয়ের একটি মূল্যবান দলিল।

বইটি সম্পাদনা করেছেন এস এম আব্রাহাম লিংকন, ডঃ সুলতান মাহমুদ, রোকেয়া আহমেদ এবং আল নোমান শামীম। প্রচ্ছদঃ আশীষ বাবলু; বইটি প্রকাশ করেছে অয়ন প্রকাশন, বাংলা বাজার, ঢাকা। বইটির মূল্য ২০০০.০০ টাকা (৬০ ইউএস ডলার) মাত্র। প্রথম প্রকাশঃ জৈষ্ঠ্য ১৪৩৩/ জুন ২০২৬।

ছবি: ফটোলিয়া

আরও খবর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_img

পপুলার পোস্ট

নতুন কমেন্টস